আল্লাহ তায়ালা এমন এক সত্তা যাকে কখনও কোন
দুর্বলতা স্পর্শ করতে পারে না। মানুষের(এবং সমস্ত সৃষ্টির) মধ্যে অনেক সীমাবদ্ধতা
আছে। মানুষ যা ইচ্ছা তাই করতে পারে না। সামনে তাকালে পিছনে দেখতে পারে না। তো যদি
কেউ কিছু লুকাতে চায় তো একজনের পিছনে সেই কাজটা করলেই হল।
কারন সে তো পিছনে দেখে না। তো মানুষ গোপনে কাজ(গুনাহ)
করে আর ভাবে যাক! কেউ দেখে নি!
একথা সে ভুলেই গেছে যে আল্লাহ তায়ালা তো তাকে
দেখছেন!
চোর যখন চুরি করে তখন সে এদিক সেদিক দেখে যে কেউ
দেখছে কিনা। তো যখন দেখে কেউ নেই তো সে তার কাজ সেরে ফেলে। আর একটা বড় শ্বাস ছাড়ে
যে, যাক! কেউ দেখেনি!
এই চোর দুইটা গুনাহ করল। একটা তো সবাই জানে চুরির
গুনাহ।
আরও একটা গুনাহ সে করেছে যেটাকে কেউ গুনাহ বলে
মনেই করে না। সেটা হল আল্লাহ তায়ালা তাকে দেখা সত্ত্বেও সে পরওয়া করল না। শুধু মানুষের
কাছে লুকানো কেই সে যথেষ্ট মনে করল।
আল্লাহ তায়ালা আমাদের মাফ করেন, আমরা কত কাজ এমন
করি যে কেউ দেখে নি, কিন্তু আল্লাহ তায়ালা তো ঠিকই দেখেন। এই জন্য কাজ করার আগে একটু
ভেবে দেখি যে, আল্লাহ তায়ালা তো আমাকে দেখছেন। এই কাজ করার দ্বারা তিনি আমার উপর
নারাজ হবেন না তো! ওনার কাছেই তো আমাদের ফিরতে হবে। সব কাজের হিসাব দিতে হবে। তখন
হিসাব দিতে পারব তো?
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন